পরিচিতি

মারকাযুল আযহার বাংলাদেশ

পরিচিতি

সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য। অগণন দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক বিশ্বমানবতার মুক্তির দূত, সর্বশ্রেষ্ঠ মানব ও সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তাঁর পরিবারবর্গ, তাঁর সহচরবৃন্দ ও কিয়ামত পর্যন্ত তাঁর অনুসারীদের ওপর।

ইসলাম জ্ঞান, হেদায়াত, নৈতিকতা ও মানবকল্যাণের ধর্ম। মানুষের আত্মিক পরিশুদ্ধি, চরিত্রের সৌন্দর্য, জ্ঞানচর্চা ও কল্যাণমুখী জীবনব্যবস্থার নির্মাণই ইসলামী শিক্ষার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

আমাদের পরিচয়

মারকাযুল আযহার বাংলাদেশ একটি আদর্শ, জ্ঞানভিত্তিক ও মূল্যবোধনির্ভর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—যার লক্ষ্য কুরআন-সুন্নাহর আলোকে এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তোলা, যারা বিশুদ্ধ দ্বীনি জ্ঞান, আরবি ভাষা ও ইসলামী সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি উত্তম চরিত্র, শিষ্টাচার, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধে বলীয়ান হবে।

আমাদের দৃষ্টিতে শিক্ষা কেবল তথ্য অর্জনের নাম নয়; বরং শিক্ষা হলো জ্ঞানকে সঠিকভাবে উপলব্ধি করা, তা জীবনে প্রয়োগ করা এবং সমাজ ও মানবতার কল্যাণে কাজে লাগানোর সক্ষমতা অর্জন করা।

আমাদের শিক্ষাদর্শ

মারকাযুল আযহারের শিক্ষাদর্শের কেন্দ্রবিন্দু হলো— বিশুদ্ধ জ্ঞান, সুন্দর চরিত্র, সঠিক আমল এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্ব।

  • কুরআন ও সুন্নাহর জ্ঞানে সুদৃঢ় হওয়া
  • আরবি ভাষা ও সাহিত্যে দক্ষতা অর্জন
  • ইসলামী জ্ঞানশাস্ত্রের মৌলিক ও উচ্চতর বিষয়ে যোগ্যতা অর্জন
  • ইলমের সঙ্গে আমল ও আখলাকের সমন্বয়
  • যুক্তিবোধ, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও গবেষণামনস্কতা অর্জন
  • দেশ, সমাজ ও উম্মাহর প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া
  • সমকালীন বাস্তবতা সম্পর্কে সচেতন থাকা

ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার ঐতিহাসিক পটভূমি

ওহি, ইলম বা ঐশী জ্ঞানই হলো ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তিমূল। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাতেই ইসলামী শিক্ষার প্রাথমিক ও মৌলিক কাঠামো গড়ে ওঠে।

পরবর্তীতে সাহাবায়ে কেরাম বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে কুরআন, হাদিস, ফিকহ ও ইসলামী জ্ঞান শিক্ষা দিতে থাকেন। ক্রমে ইসলামী বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বতন্ত্র শিক্ষাকেন্দ্র ও মাদরাসা প্রতিষ্ঠিত হয়।

উপমহাদেশে দরসে নিজামির বিকাশ

ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার বিকাশ দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সংঘটিত হয়েছে। বিভিন্ন যুগে বিভিন্ন আলেম ও শিক্ষাকেন্দ্রের অবদানে এ অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন ও পরিবর্ধন ঘটে।

বাংলাদেশে মাদরাসা শিক্ষার বিকাশ

বাংলাদেশের মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থা কোনো এক ব্যক্তি বা একক সময়পর্বে হঠাৎ গড়ে ওঠেনি। বাংলার প্রাচীন মসজিদ, মক্তব, খানকাহ ও মাদরাসাকে কেন্দ্র করে ইসলামী জ্ঞানচর্চার যে ধারা সূচিত হয়েছিল, তা বিভিন্ন যুগ অতিক্রম করে বিকশিত হয়েছে।

ঐতিহ্য ও সমকালীন প্রয়োজনের সমন্বয়

মারকাযুল আযহার বাংলাদেশ ঐতিহ্যবাহী ইসলামী শিক্ষার মৌলিক ভিত্তিকে অক্ষুণ্ণ রেখে সমকালীন প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে আগ্রহী।

আমাদের বিশ্বাস, যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে শিক্ষার উপস্থাপন-পদ্ধতি, ভাষাগত দক্ষতা, গবেষণার ক্ষেত্র ও প্রয়োজনীয় সহায়ক জ্ঞানশাস্ত্রে উন্নয়ন ঘটতে পারে; কিন্তু কুরআন-সুন্নাহ, বিশুদ্ধ আকিদা, ইবাদত, আখলাক ও ইসলামী মূল্যবোধের মৌলিক ভিত্তি অটুট থাকতে হবে।

আমাদের শিক্ষাক্রম ও শিক্ষাব্যবস্থা

মারকাযুল আযহারের শিক্ষাব্যবস্থার অন্যতম লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের এমন একটি সুদৃঢ় ভিত্তি প্রদান করা, যার ওপর দাঁড়িয়ে তারা উচ্চতর ইসলামী শিক্ষা, গবেষণা ও বিশেষায়িত জ্ঞানচর্চার পথে অগ্রসর হতে পারে।

শিক্ষাক্রমে গুরুত্ব দেওয়া হয়

  • কুরআন ও কুরআনবিষয়ক জ্ঞান
  • হাদিস ও হাদিসবিষয়ক জ্ঞান
  • আকিদা ও ইসলামী বিশ্বাস
  • ফিকহ ও উসুলে ফিকহ
  • আরবি নাহু ও সরফ
  • আরবি ভাষা ও সাহিত্য
  • বালাগাত ও অলংকারশাস্ত্র
  • মানতিক ও যুক্তিবিদ্যা
  • ইতিহাস ও সংস্কৃতি
  • প্রয়োজনীয় সাধারণ ও সহায়ক জ্ঞান
  • লেখালেখি, গবেষণা ও উপস্থাপন দক্ষতা

آمين يا رب العالمين

বিস্তারিত পড়ুন
মারকাযুল আযহার বাংলাদেশ
আমাদের লক্ষ্য

মারকাযুল আযহারের সামগ্রিক লক্ষ্যকে কয়েকটি প্রধান ক্ষেত্রে বিন্যস্ত করা যায়।

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
  • ইসলামী জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় বিশেষজ্ঞ আলেম, দায়ী, গবেষক ও ইসলামী স্কলার তৈরির লক্ষ্যে শিশুশ্রেণি থেকে উচ্চতর গবেষণামুখী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। ঐতিহ্যবাহী আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুকরণে দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সাধারণ শিক্ষার জন্য পৃথক ও সুসংগঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রত্যাশা রয়েছে। মেধাবী ও যোগ্য শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চতর ইসলামী শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করার উদ্যোগ গ্রহণ করা। মেধা, আদব ও আখলাকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে—বিশেষত মিসরের জামিয়াতুল আযহারসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে—উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি ও সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যও আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত।
  • দ্বীনি জ্ঞান ও নৈতিক মূল্যবোধের প্রসার
  • সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে দ্বীনি জ্ঞান, নৈতিকতা ও ইসলামী মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা। দেশব্যাপী বিভিন্ন এলাকায় সেমিনার, কোর্স, প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও জ্ঞানভিত্তিক কর্মসূচির আয়োজনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় ইসলামী জ্ঞান সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালানো। দেশ-বিদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে সহজ ও প্রামাণ্য দ্বীনি জ্ঞান পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা—যেমন অনলাইন মাদরাসা, বিষয়ভিত্তিক অনলাইন কোর্স, অনলাইন ইসলামী পাঠচক্র, দ্বীনি পত্র-পত্রিকা ও প্রকাশনা এবং প্রয়োজনীয় অ্যাপস ও ডিজিটাল শিক্ষাসামগ্রী তৈরি। সর্বসাধারণের মাঝে কুরআনের ভাষা সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রয়োজন অনুযায়ী থানা ও জেলা পর্যায়ে আরবি ভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ।
  • সেবা
  • দুঃস্থ, অসহায় ও বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সাধ্যমতো সহায়তা ও সেবা প্রদান করা। শিক্ষা, মানবিক সহায়তা ও সামাজিক কল্যাণের বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবিক মূল্যবোধকে বাস্তব জীবনে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা।
  • দাওয়াহ
  • মুসলিম ও অমুসলিম—সকল শ্রেণির মানুষের কাছে ইসলামের শান্তি, সৌন্দর্য ও মানবকল্যাণের বার্তা প্রজ্ঞা, সৌজন্য ও উত্তম পদ্ধতিতে পৌঁছে দেওয়া। দাওয়াহকে কেবল বক্তব্য বা আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জ্ঞান, চরিত্র, সেবা ও সুন্দর আচরণের মাধ্যমে ইসলামের আদর্শকে মানুষের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করা।

আমাদের উদ্দেশ্য

মারকাযুল আযহার বাংলাদেশ একটি পূর্ণাঙ্গ ও বহুমাত্রিক শিক্ষা, গবেষণা, দাওয়াহ ও মানবসেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকশিত হওয়ার প্রত্যাশা রাখে। ভবিষ্যতে—

    প্রাথমিক থেকে উচ্চতর ইসলামী শিক্ষা পর্যন্ত সুসংগঠিত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা
  • উচ্চতর গবেষণামুখী প্রতিষ্ঠান বিনির্মাণ
  • আরবি ভাষা ও ইসলামী জ্ঞানচর্চার জন্য
  • বিশেষায়িত বিভাগ ও গবেষণাকেন্দ্র গড়ে তোলা
  • দেশ-বিদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি
  • মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য বৃত্তি ও সহযোগিতার ব্যবস্থা
  • অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চার বিস্তৃতি
  • আরবি ভাষা শিক্ষার জন্য বিভিন্ন অঞ্চলে প্রশিক্ষণ ও ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা
  • ইসলামী জ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক গবেষণা, প্রকাশনা ও অনুবাদ কার্যক্রম সম্প্রসারণ
  • সমাজসেবা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া
  • এবং প্রজ্ঞা, সৌন্দর্য ও উত্তম পদ্ধতির মাধ্যমে দাওয়াহ কার্যক্রম বিস্তৃত করা—
  • এসব লক্ষ্য সামনে রেখে আমরা এগিয়ে যেতে চাই।

আমাদের প্রত্যাশা

আমরা এমন একটি প্রজন্ম দেখতে চাই—যাদের হৃদয়ে ঈমান, মস্তিষ্কে জ্ঞান, জীবনে আমল, আচরণে আখলাক এবং কর্মে মানবকল্যাণের প্রতিফলন থাকবে। যারা নিজেদের ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন হবে, কিন্তু সময়ের প্রয়োজন থেকে বিচ্ছিন্ন হবে না; যারা আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার জানবে, কিন্তু নিজেদের ইসলামী পরিচয় ও মূল্যবোধ হারাবে না; যারা কেবল জ্ঞান অর্জন করবে না, বরং জ্ঞানকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাবে। মারকাযুল আযহার বাংলাদেশ সেই আলোকিত, জ্ঞাননির্ভর, আদর্শবান ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গঠনের প্রত্যয় নিয়ে পথ চলতে চায়।

ইলমের মর্যাদা, আমলের সৌন্দর্য, আখলাকের উৎকর্ষ, গবেষণার গভীরতা, সেবার মানসিকতা এবং দাওয়াহর প্রজ্ঞা—এই মূল্যবোধগুলোকে সামনে রেখে একটি আদর্শ শিক্ষা ও মানবকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার।

আমাদের পথচলা দীর্ঘ; আমাদের প্রত্যাশাও সুদূরপ্রসারী। মহান আল্লাহ তাআলা যেন এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে কবুল করেন, একে ইলম ও হেদায়াতের একটি কার্যকর কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং এর মাধ্যমে ব্যক্তি, সমাজ ও উম্মাহর কল্যাণ সাধনের তাওফিক দান করেন।
বিস্তারিত পড়ুন
সহযোগী অধ্যাপক ডা. এ. এস. এম. সলিমুল্লাহ

সহযোগী অধ্যাপক ডা. এ. এস. এম. সলিমুল্লাহ

সভাপতি, মারকাজুল আজহার বাংলাদেশ

গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ঢাকা মেডিসিন, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও লিভার বিশেষজ্ঞ এমবিবিএস, এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)

অধ্যাপক ডা. আলী মনসুর (শরীফ)

অধ্যাপক ডা. আলী মনসুর (শরীফ)

ইসি সদস্য. মারকাজুল আজহার বাংলাদেশ

অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মেডিসিন, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও লিভার রোগ বিশেষজ্ঞ এমবিবিএস, এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি) বিএমডিসি রেজি. নং- এ-২৫৬৯০

প্রতিষ্ঠানের পাশে দাঁড়ান

আপনার সহযোগিতা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, আবাসন ও দৈনন্দিন প্রয়োজনে ব্যয় হয়।

774
মোট শিক্ষার্থী
29
শিক্ষক
8
কর্মচারী

যোগাযোগ ও অবস্থান

ঠিকানা
৮৭/৩৩, পূর্ব বক্সনগর, সারুলিয়া, ডেমরা, ঢাকা-১২৬১
মোবাইল নম্বর
01959-859159, 01877-895205, 01811-801230, 01822-554066
ইমেইল
info@markazulazharbf.com
বার্তা পাঠান
লাইভ চ্যাট